কন্টেন্ট রাইটিং কি, কেন, কিভাবে?

কন্টেন্ট রাইটিং হলো নিবন্ধ লেখন। চলিত বাংলায় “নিবন্ধ লিখন” শব্দটি অপ্রচলিত হলেও আভিধানিক বাংলায় ইংরেজী শব্দ Content Writing এর বাংলা অনুবাদ হলো নিবন্ধ লিখন।

সাধারণত বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় তিন ধরণের রচনামূলক লেখা প্রচলিত আছে। পত্রলিখন বা Letter Writing, প্রবন্ধ লিখন বা Paragraph Writing, রচনা লিখন বা Essay Writing, এবং Article Writing।

মূল বিষয়ে আসা যাক। আজকের প্রবন্ধে আমরা কন্টেন্ট রাইটিং সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো।

কিওয়ার্ড পর্যালোচনা (Keyword Research) এর মাধ্যমে আমরা জানার চেষ্টা করেছি কোন কন্টেন্ট রাইটিং এর সাথে সম্পর্কিত কোন বিষয়গুলি সম্পর্কে মানুষ জানতে চেয়েছেন। এবং আমরা সেই বিষয়গুলির একটি তালিকা তৈরী করেছি। তাহলে আসুন দেখা যাক আমরা কন্টেন্ট রাইটিং সম্পর্কিত কি কি প্রশ্ন খুজে পেয়েছি এবং সঠিক উত্তর খুঁজে বের করার চেষ্টা করা যাক।

কন্টেন্ট রাইটিং কি?

কন্টেন্ট রাইটিং হলো নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন এবং নীতিমালা ব্যবহার করে লেখা প্রবন্ধ বা নিবন্ধ। যা একজন পাঠকের বা অনুসন্ধানকারীর প্রশ্নের সঠিক এবং সময়োপযোগী উত্তর দেবার চেষ্টা করে। বিভিন্ন ধরনের কন্টেন্ট রাইটিং হতে পারে। যেমন: আর্টিকেল রাইটিং, Product Description বা পণ্যের বিবরণ, Informative Content বা তথ্যমূলক নিবন্ধ, Web Content বা ওয়েব প্রবন্ধ ইত্যাদি।

কন্টেন্ট রাইটিং কেন প্রয়োজন?

যেকোন অনুসন্ধানকারীকে (Google Searcher) তার প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পেতে সাহায্য করার জন্য কন্টেন্ট রাইটিং প্রয়োজন। যখন একজন ব্যাক্তি যখন গুগল ব্যবহার করে কোন বিষয়বস্তু, কোন পণ্য বা সেবা, কোন ঠিকানা, অথবা অন্য যেকোন বিষয়ে জানতে চান তখন তার অনুসন্ধানের সঠিক জবাব দেবার জন্য কন্টেন্ট এর প্রয়োজন হয়। 

উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে, একজন ব্যক্তি হয়তো কোন পণ্যের বিস্তারিত (Product Details) জানতে পণ্যটি সম্পর্কে গুগল সার্চ করলেন (Product Search) করলেন। এক্ষেত্রে ইন্টারনেটর যে পৃষ্ঠায় (Webpage) পণ্যটি সম্পর্কে বিস্তারিত লিখিত বিস্তারিত বিবরণ (Product desrcription)  রয়েছে গুগল তাকে সেই পৃষ্ঠাটি দেখাবে। যদি একাধিক পৃষ্টা থাকে তাহলে সেই পৃষ্ঠাটিতে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকবে গুগল সেই পৃষ্টাটিকে অনুসন্ধানের ভিত্তিতে প্রাপ্ত ফলাফল পৃ্ষ্ঠার (SERP- Search Result Page) সবার উপরে দেখাবে।

কন্টেন্ট রাইটিং এর উদাহরণ ( Examples of Content Writing)

উপরের আলোচনা থেকে আমার বুঝতে পারছি কন্টেন্ট রাইটিং এর কিছু নির্দিষ্ট ধরণ রয়েছে। কন্টেন্ট রাইটিং এর উদাহরণ (Examples of Content Writing) হলো, তথ্যভিত্তিক নিবন্ধ (informational blogs posts), পন্যের বিবরণ (product description), সেবার বর্ণনা (service description, বিক্রয় কপি (Sales Copy) ইত্যাদি।

কন্টেন্ট রাইটিং কত প্রকার ও কি কি?

সময় এবং প্রয়োজনের ভিত্তিতে কন্টেন্ট রাইটিং বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। কিছু প্রচলিত ধরণ হলো,

*ব্লগ পোস্ট (Blog Post Writing)

যখন কোন প্রবন্ধ বা নিবন্ধ (Content) কোন বিষয়ে কিংবা একটি বিষয়ের নির্দিষ্ট দিক সম্পর্কে আলোচনা করে এবং এর সাথে বিক্রয় (Sales) কিংবা বিপনের (Marketing সরাসরি সম্পর্ক থাকেনা, তাকে বলা হয় ব্লগ। তথ্য মূলক ব্লগপোস্ট (Informative Blog Posts) গুলো বিভিন্ন প্রকার হতে পারে যেমন: অর্থনৈতিক আলোচনামূক নিবন্ধ ( Financial Blog Posts), বিভিন কাজ পেশাদারদের সহযোগীতা ছাড়া নিজে কিভাবে করা যায় সে সম্পর্কিত আলোচনা ( DIY Blog Posts), বিভিন্ন বিষয়ের রকমারি কৌশল সম্পর্কে আলোচনা (Tips and Tricks Blogs) ইত্যাদি। 

*আর্টিকেল রাইটিং (What is Web Article?)

যখন কোন বিষয়ের উপর একজন বিশেষজ্ঞ তার অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞানের ভিত্তিতে প্রায় কথা বলার ভঙ্গিতে (Conversational Style) গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলি তুলে ধরেন তাকে বলে আর্টিকেল বা পূণাঙ্গ আলোচনা। যদি এই আলোচনা ইন্টারনেটে প্রকাশ করা হয় তাকে বলা হয় ওয়েব আর্টিকেল (Web Article). যিনি লিখবেন তাকে বলা যেতে পারে আর্টিকেল রাইটার ( Article Writer).

* পণ্যের বিবরণ (What is Product Description?) 

কোন পণ্যের বৈশিষ্ট্য, ব্যবহারের সুবিধা, দাম, কোথায় কিনতে পাওয়া যায় এসম্পর্কিত নিবন্ধ লেখা হলে তাকে বলে পণ্যের বিবরণ (Product description)। এ ধরণের লেখার আরেকটি ধারা হলো পণ্যের রিভিউ (Product Review)। পণ্যের বিবরন ও পণ্যের রিভিউ এর পার্থক্য হলো, রিভিউ লিখবেন একজন ব্যবহারকারী যিনি পণ্যটি ব্যবহার করে ভালো মন্দ সম্পর্কে বুঝতে পেরেছেন এবং সে সম্পর্কে তিনি অন্যদের বলছেন। উন্নত বিশ্বে এমনকি বাংলাদেশেও প্রখ্যাত লেখকদের (Famous Writer) বিভিন্ন কোম্পানী তাদের পণ্য উপহার দেয়। যেন তারা এ সম্পর্কে কিছু লিখতে পারেন যা পরবর্তীতে বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফর্মে বিক্রয় বৃদ্ধির (Increase in Sales) উদ্দেশ্য প্রকাশ করা হয়।

* সেবার বিবরণ ( What is Service Description?)

সেবা সম্পর্কিত যেকোন লেখা যা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক লিখিত এবং প্রকাশিত হয় তাকে বলে সেবার বিবরণ (Service Description)। উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে, একটি গাড়ি ধোয়ার প্রতিষ্ঠান তাদের প্রতিষ্ঠানের গাড়ি ধোয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে লিখতে পারে। যখন এটি তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়, তখন যে পৃষ্টাটিতে প্রকাশিত হয় তাকে বলা হয় ওয়েবসাইটের সার্ভিস পেজ (Service Page)। যেহেতু উন্নত বিশ্বের মানুষ ইন্টারনেটের মাধ্যমে সেবার মান সম্পর্কে জানতে চান, সেজন্য সেবার বিবরণ সম্বলিত পৃষ্ঠা লিখন (Service Page Writing) একটি খুবই উঁচু দরের কাজ। যেকোন সেবাদানকরী প্রতিষ্ঠান অনেক টাকা খরচ করে হলেও একটি ভালো সার্ভিস পেজ লিখানোর কাজটি করান। 

* বিক্রয় কপি রাইটিং (Sales Copywriting)

ক্রেতা যখন কিনতে প্রস্তুত তখন তাকে যেধরনের লেখা প্রদর্শন করা হয় তাকে বলে বিক্রয় কপি (Sales Copy) এবং এ ধরণের লেখাকে বলা হয় বিক্রয় কপি রাইটিং (Sales Copywriting)।

এক্ষেত্রে একটি বিষয় জেনে রাখা জরুরী কন্টেন্ট এর মাধ্যমে বিপণনের (Content Marketing) কিছু ধাপ আছে। প্রতিটি ক্রেতা একটি পন্য বা সেবা ক্রয়ের আগে কিছু নির্দিষ্ট ধাপ (Customer Journey Stage) পার করে আসেন। একজন পেশাদার লেখকের (Professional Content Writer) এই ধাপ গুলি সম্পর্কে জানা এবং সেই বিবেচনায় নিজের কন্টেন্ট পরিকল্পনা (Content Planning) করা উচিৎ। কন্টেন্ট এর ধরণ কেমন হবে সেই পরিল্পনার নাম হলো নিবন্ধ ব্যবস্থাপনা (Content Management)। সাধারনত একজন অভিজ্ঞ লেখক এই দায়িত্ব পালন করেন। তাকে বলা হয় কন্টেন্ট ব্যবস্থাপক বা (Content Manager)

কন্টেন্ট রাইটিং এর নিয়ম

কন্টেন্ট রাইটিং এর কোন বাঁধাধরা নিয়ম নেই। তবে কিছু নীতিমালা (Fundamentals of Copywriting) রয়েছে। যেমন, 

  • প্রথমেই আসছে বিষয় নির্বাচন (Content Topic Selection)। যদি আপনি ইতোমধ্যে কোন প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ শুরু করে থাকেন সেক্ষেত্রে এ বিষয়টি অনেকটা সহজ হয়ে যায়। প্রতিষ্ঠান (Content writing agency) আপনাকে বিষয় ঠিক করে দিবে, আপনি সে বিষয়ে লিখবেন। কিন্তু যদি আপনি এখনও শিক্ষানবীশ কন্টেন্ট লেখক (trainee Content Writer) হন তাহলে আপনাকে বিষয় নির্বাচন করতে হবে। সাধারণ এমন বিষয় (Content Topic) নির্বাচন করা ভালো যে বিষয়ে আপনি মোটামুটি জানেন। মনে রাখবেন কোন বিষয় ছোট কিংবা কোন বিষয় অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ এমনটা নয়। ইন্টারনেটে প্রায় সব বিষয়ে ওয়েবসাইট আছে এবং একজন লেখক যিনি একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে ভালো জানেন এবং লিখতে পারেন (Niche Content Writer) তার কদর একজন লেখক যিনি লিখতে জানেন কিন্তু কোন বিষয়ে বিশেষভাবে জানার চেষ্টা বা গবেষণা (Topic Research) করেননি তার চাইতে বেশি।
  • দ্বীতিয়ত আসছে, পাঠককে বুঝতে পারা। আপনি কারজন্য লিখছেন সেটা বুঝতে পারা লেখকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি কার জন্য লিখছেন তারউপর ভিত্তি করে লেখাকে ধারাবাহিক ভাবে সাজানো (Consistency),  লেখার সময় শব্দ বেঁছে (Word Selection) নেয়া উচিৎ। যেমন ধরুন, শিশুদের গল্পের বই আর বড়দের গল্পে বই কি একইভাবে লেখা হয়? উত্তর হলো, না। এক্ষেত্রে লেখার ধারা (Content Style) একই এবং সেটা হলো গল্পবলা (Storytelling)। কিন্তু গল্প বলার ভঙ্গি (Content Tone) কিংবা কথা বলার ধরণ একিই নয়।
  • তৃতীয়ত,  নির্ভরযোগ্য তথ্য উপস্থাপন। আপনার লেখায় যে তথ্যগুলি আপনি আপনার লেখায় ব্যবহার করবেন তা গ্রহনযোগ্য হওয়া চাই। বিশেষত যখন আপনি কোন ওয়েবসাইটের জন্য লিখবেন তা হবে নির্ভরযোগ্য। 
  • চতুর্থ বিষয় সহজভাবে লেখা। খুব কটিন শব্দ ব্যবহার না করে সহজ শব্দ ব্যবহার করলে পড়তে সহজ হয় এবং কন্টেন্ট এর রিডেবিলিটি (Readability) বাড়ে

কন্টেন্ট রাইটিং এবং গুগল ই.ই.এ.টি (Relation Between Google E.E.A.T Framework and Content Writing )

গুগল সার্চ ইন্জিন যেকোন কন্টেন্ট মান যাচাই করার জন্য ই.ই.এ.টি কাঠামো (Google E.E.A.T Framework) ব্যবহার করে।

  • এক্ষেত্রে প্রথম “E” এর মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে Experience বা অভিজ্ঞতাকে। অর্থাৎ একটি ওয়েবসাইটের বয়স বা সার্চ ইন্জিনে সেই লেখকের পরিচিতি সর্বাধিক গুরুত্ব বহন করে।
  • দ্বিতীয় “E” এর মাধ্যে বোঝানো হয়েছে, Expertise অথবা দক্ষতাকে। ধরুন একটি ওয়েবসাইট এর বয়স পাঁচ বছর যেটি গাড়ি সম্পর্কিত ওয়েবসাইট, অন্য আরেকটও ওয়েবসাইটের বয়সও পাঁচ বছর যেটি ধর্মীয় বিষয়ে আলোচনা করে এমন একটি ওয়েবসাইট। এক্ষেত্রে দুটি ওয়েবসাইটে একই লেখকের লেখা ধর্ম বিষয়ক ব্লগপোস্ট প্রকাশ করলো, গুগল কোনটিকে তুলনামূলকভাবে বেশি প্রাধান্য দেবে? দুটি ওয়েবসাইটের বয়স এবং লেখকের অভিজ্ঞতা একি হলেও যেহেতু দ্বিতীয় ওয়েবসাইটি ধর্ম বিষয়ক এবং ব্লগপোস্টটিও ধর্ম বিষয়ক তাই খুব সম্ভবত  গুগল রেজাল্ট (Google Results) পেজ এ প্রথম ওয়েবসাইটের ব্লগপোস্টের অবস্থান (Search Result Position) দ্বিতীয় ওয়েবসাইটের ব্লগের নিচে হবে।
  • এরপর আসছে, “A” যা “Authoritativeness” যার বাংলা অর্থ কর্তৃত্ব। ধরুন, আপনাকে আপনার এক বন্ধু বললো, পরীক্ষা শুরু হবে আগামী মাসের ১৭ তারিখ। কিন্তু আপনার কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের নোটিশবোর্ডে লিখা আছে, একইমাসের ১৮ তারিখ। আপনি কেনটি সঠিক বলে ধরে নিবেন? অবশ্যই ১৮ তারিখ। কারণ পরীক্ষা নেওয়ার কর্তৃপক্ষ যে তারিখ বলে দিয়েছে সেটা সঠিক হবার সম্ভাবনাই বেশি। ঠিক তেমনই অনেক সময় বিভিন্ন ওয়েবসাইটে একই বিষয়ে একাধিক নিবন্ধে (web content) বিভিন্ন তথ্য থাকতে পারে। যখন কেউ সেই তথ্যকে খুঁজে তখন গুগল কোন রেজাল্ট বাদ না দিয়ে সেই তথ্যের জন্য যে ওয়েবসাইট বেশিদিন ধরে অভিজ্ঞত লেখকদের মাধ্যমে তথ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং মানুষ সেই তথ্য পড়েছে (Website Visitors) সেই ওয়েবসাইটের দেওয়া তথ্যকে প্রাধাণ্য দিয়ে রেজাল্ট পেজ এর উপরের দিকে দেখাবে।
  • সর্বশেষ “T” যার মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে “ Trustworthiness” অথবা বিশ্বাসযোগ্যতাকে। এর অর্থ হলো, যে ওয়েবপেজ উপরের বিষয়, Expertise, Experience, Authoritativeness এর জন্য যোগ্য গুগল ধরে নিবে এই ওয়েবসাইটের পেজে যে তথ্য দেওয়া আছে সেটি বিশ্বাসযোগ্য এবং গুগল তার রেজাল্ট পেজ এ ঐ ওয়েবসাইটের বিভিন্ন পেজকে প্রাধাণ্য দেবে। এথেকে বোঝা যায়, আপনি নিজে ওয়েবসাইট তৈরী করে লিখুন কিংবা অন্য ওয়েবসাইেটর জন্যই লিখুন, যে বিষয়ে আপনি লিখবেন সেই বিষয়ে আপনার অভিজ্ঞতা, জ্ঞান, দক্ষতাই আপনার তথ্যকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে। তাহলে, আমরা যারা নতুন তাদের লেখা কি কেউ পড়বেনা? আমারা কি লিখবোন? তাহলে আমার প্রশ্ন থাকলো যে ওয়োবসাইট গুলি আজকে ভালো কাজ করছে কিংবা যারা অভিজ্ঞ লেখক আছেন তারা কি প্রথম দিন থেকেই অভিজ্ঞ ছিলেন নাকি ধীরে ধীরে সময়ের সাথে সাথে শিখতে শিখতে দক্ষ হয়েছেন?

কন্টেন্ট রাইটিং শেখার উপায় (How To Learn Content Writing?)

কন্টেন্ট রাইটিং শেখার অনেকগুলি উপায় আছে। যেমনঃ

১. কন্টেন্ট রাইটিং কোর্স (Content Writing Course)

কন্টেন্ট রাইটিং কোর্স (Content Writing Course) করে কন্টেন্ট রাইটিং শিখতে পারেন। এক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং অভিজ্ঞ লেখক সরাসরি কিংবা অনলাইন প্রশিক্ষণ (Content Writing Lessons) দেন।

২. কন্টেন্ট রাইটিং বই (Content Writing Books)

কন্টেন্ট রাইটিং শেখার আরেকটি ভালো উপায় বই পড়া। কন্টেন্ট রাইটিং বুক সাধারণত দুই ধরনের হয়। হার্ডবুক (Content Writing Hard Books) এবং কন্টেন্ট রাইটিং ই-বুক (Content Writing e-books)।

প্রসঙ্গক্রমে আরেকটি প্রশ্ন আসতে পারে, 

কন্টেন্ট রাইটিং বুকের দাম কত?

একটি কন্টেন্ট রাইটিং বুকের দামের সাধারণত কোন সীমারেখা নেই। তবে বিভিন্ন ভাষায় লেখা বিভিন্ন বইয়ের দাম ৳২০০- ৳২০০০ পর্যন্ত হতে পারে। একটি ভালো বই নির্বাচনের জন্য আপনি নিজেকে কিছুক্ষণের জন্য গুগল মনে করে, E-E-A-T framework ব্যবহার করে বিভিন্ন বই বিবেচনা করতে পারেন। ধরুন লেখক কে? তিনি কি একজন প্রতিষ্ঠিত লেখক কিনা? তার বই সম্পর্কে পাঠকের মন্তব্য কি ইত্যাদি বিবেচনা করে আপনি একটি ভালো বই সহজেই খুঁজে পাবেন।

৩. ইউটিউব ভিডিও ( Learning Content Writing using YouTube)

বর্তমানে ইউটউবের মাধ্যমে ই-শিখন কার্যক্রম একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি। ইউটিউবে অসংখ্য কন্টেন্ট রাইটিং টিউটোরিয়াল আছে। আপনি আপনার মোবাইল এ্যাপ অথবা ব্রাউজার ব্যবহার করে, ইউটিউবের হোম পেজে যান। এবং উপরে যে সার্চ অপশনটি আছে,  সেখানে লিখুন, “কন্টেন্ট রাইটিং কোর্স” (Content Writing Course), অথবা “কন্টেন্ট রাইটিং টিউটোরিয়াল” (Content Writing Tutorials) আপনি সহজেই খুঁজে পাবেন। এক্ষেত্রে একটি পুরামর্শ হলো, যে ভিডিও শুরু করবেন সেটি শেষ পর্যন্ত দেখুন। কেন কিছু বুঝতে না পারলে লিখে রাখুন, কমেন্টে জানান, অথবা গুগল সার্চ করুন।

৪. কনটেন্ট রাইটিং শিখতে চ্যাট জিপিটি ব্যবহার করতে পারেন (Use of Chatgpt to learn Content Writing in Bangla)

 যেকোন বিষয় শিখতে চ্যাটজিপিটি চমৎকার কাজ করে। ওপেন এ আই (Open AI) কর্তৃক নির্মিত এই জেনারেটিভ এ আই ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল আপনাকে কন্টেন্ট রাইটিং শিখতে এমনকি কন্টেন্ট (AI Content) লিখতেও সাহয্য করতে পারে। যদিও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এই টুল ব্যবহার করে লেখা হলে তাকে গ্রহনযোগ্য মনে করেনা। সাধারনত খুব দ্রুত কন্টেন্ট আইডিয়া (content idea) খুঁজে বের করা এবং বিষয়গত গবেষনা (Topic Research) এর কাজে এই টুলটি অত্যন্ত কার্যকর। 

এ. আই দিয়ে লেখা হলে এ. আই কন্টেন্ট ডিটেক্টর (AI Content Detector) এর মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়। তাই না বুঝে বা জেনে লেখার জন্য অতিরিক্ত ChatGPT ব্যবহার করা, আপনার কন্টেন্ট রাইটিং পেশায় (Content Writing Profession) বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে যাতে আপনার ক্যারিয়ার (Content Writing Career) ক্ষতিগ্রস্ত হবে ।

মনে রাখবেন ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়, আপনার ইচ্ছা শক্তিই আপনার লেখক হবার পেছনে মূল চালিকা শক্তি।  দুটি অভ্যাস আপনাকে ভালো লেখক হতে সাহায্য করবে,

  • যে ভাষায় লিখতে চান সেই ভাষার বিভিন্ন লেখা পড়ুন, এবং বুঝতে চেষ্টা করুন কিভাবে লেখক ভাষা ব্যবহার করছেন, কিভাবে ধারাবাহিক উপস্থাপনের মাধ্যমে লেখাকে আকর্ষণীয় করে তুলছেন। পড়ার ক্ষেত্রে খুব বাছ বিচারের প্রয়োজন নেই। অনৈতিক নয়, এমন যেকোন লেখাই পড়তে পারে। যেমন: যেকোন বই, দৈনিক পত্রিকা, বিভিন্ন প্রচারমূলক লিফলেট, অনুবাদ ইত্যাদি। যদি ইংরেজী ভাষায় লিখতে চান তাহলে ১০-১৫ টাকা খরচ করে একটি পত্রিকা কিনে ফেলুন। বুঝতে পারবেন না বা কষ্ট হবে এটা কোন কাজের কথা নয়। আপনি অবশ্যই পারবেন। যদি আপনি ইংরেজী পড়তে পারেন তাহলে আপনি বুঝতেও পারবেন। সময়ের ব্যাপার মাত্র।
  • লেখার অভ্যাস করুন প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট লিখুন। শুরুতেই কি বিষয়ে লিখলে বেশি ভালো হবে, কোন লেখকের বেতন কত, কন্টেন্ট রাইটার এর বেতন কত এসব বিষয়ে খুব বেশি মাথা ঘামাবেন না। যেকোন বিষয়ে ৩০ মিনিট একটানা লিখার চেষ্টা করুন। 
শুরুতে কঠিন মনে হলেও এক সপ্তাহ বা তার একটু বেশি সময় পার হবার পর আপনি বুঝতে পারবেন কন্টেন্ট রাইটিং শুরুতে যত কঠিন মনে হচ্ছিলো আসলে ততটা কঠিন নয়।

এস.ই.ও কন্টেন্ট রাইটিং কি? (What is SEO Content Writing?)

এ পর্যন্ত পড়ে আপনি নিশ্চয় বুঝতে পারছেন, কন্টেন্ট রাইটিং করা হয় ইন্টারনেটে বিভিন্ন বিষয়ে তথ্যকে তুলে ধরার জন্য। ধরুন, একই বিষয়ে অসংখ্য লেখক লিখেছেন। এখন গুগল কাকে প্রাধান্য দেবে? এক্ষেত্রে চলে আসে গুগল রেঙ্কিং ফেক্টরস (Google Ranking Factors)। গুগল যেকোন ওয়েব পেজকে এই ফ্যাক্টর গুলির ভিত্তিতে বিবেচনা করে। গুগলের হিসাবে 200 টিরও বেশি র‌্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর রয়েছে।

কোন ওয়েবপেজকে এই ফ্যাক্টরগুলি বিবেচনা করে Search Engine Findley করার যে প্রক্রিয়া তাকে বলে Search Engine Optimization। সাধারণ এর তিনটা ভাগ,

১. অনপেজ এস.ই.ও ( On Page SEO)

যা কিছু একজন ব্যবহার কারী আপনার ওয়েবসাইটে বা ওয়েবপেজে এসে সাধারন চোখে দেখতে পায় তাকে বলে, অনপেজ এ্যালিম্যান্টস (On-Page SEO Elements)। গুগল কিছু ফ্যাক্টর দিয়ে যেকোন ওয়েবপেজ এর অনপেজ মান হিসেব করে। যেমন: লেখার ভাষা, ধরণ, ছবি কিংবা ভিডিও। ওয়েবসাইটের অনপেজ এস.ই.ও এ্যালিমেট কে গুগল বা অন্য সার্চ ইন্জিন এর জন্য অপটিমাইজ বা উপযোগী করে তোলার প্রক্রিয়াকে বলে অনপেজ এস.ই.ও। অনপেজ এস.ই.ও এবং কনটেন্ট রাইটিং সরাসরি সমপৃ্ক্ত।

২. অফপেজ এস. ই. ও (Off-Page Page SEO)

কন্টেন্ট রাইটিং এর সাথে অফ পেজ এস.ই.ও এর সরাসরি সম্পর্ক না হলে, ওয়েব পেজগুলির মধ্যে লিংক (Hyperlinks) যেমন: ইন্টারনাল এবং এক্সারটারনাল লিংক এর সাথে কন্টেন্ট এর সার্চ রেজাল্টে উপরে থাকা নিচে থাকা এমনি থাকা অথবা না থাকার মতন স্পর্শকাতর বিষয় গুলির সাথে সম্পর্ক আছে।

৩. টেকনিক্যাল এস.ই.ও (Technical SEO)

টেকনিক্যাল এস.ই.ও বলতে বোঝানো হয় একটি ওয়েবসাইটের অভ্যন্তরীণ কাঠামো এর সাথে সম্পর্ক যুক্ত বিষয়গুলিকে সার্চ ইন্জিন এর জন্য যথাসম্ভব উপযুকত করা। যেমন ধরুন- আপনার ওয়েবসাইটের একটি পেজ এ আপনি কিছু লিখেছেন। কিন্তু আপনি চাননা যে সেই পেজটিকে গুগল এখনি অনপেজ এস.ই.ও ভালো না খারাপ, এই পেজ এ কয়টি ইন্টারনাল অথবা এক্সটারনাল লিংক আছে এসব বিষয়ে বিবেচনা শুরু করুক। এখন গুগলকে জানাবেন কি করে? ফোন করে, ইমেইল লিখে? না বরং আপনি আপনার ওয়েবসাইটের সোর্স কোড এ একটি কথা লিখে দেবেন। যাকে সাধারণত ট্যাগ বলে। যারা কন্টেন্ট রাইটিং নিয়ে কাজ করতে চান তাদের জন্য অফপেজ এবং টেকনিক্যাল এস.ই.ও পার্ট অপশনাল আপনি জানলে ভালো না জানলে ক্ষতি নেই।

কিন্তু অনপেজ এস.ই.ফ্যাক্টর গুলি আপনার অবশ্যই জানতে হবে। এবং লেখার সময় সেই ফ্যাক্টর গুলি বিবেচনা করে গুগল সার্চ ইন্জিনের জন্য উপযোগী কন্টেন্ট লেখাকে বলা হয় এস.ই.ও কনটেন্ট রাইটিং এবং এধরনের কন্টেন্টকে বলা হয়, এস.ই. ও অপটিমাইজড কন্টেন্ট (SEO Optimized Content)। কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে কর্মজীবনের শুরুতে আপনি আগে কন্টেন্ট লিখবেন পরে এস.ই.অপ্টিমাইজ করবেন। অভিজ্ঞতা বাড়ার সাথে সাথে বিষয়গুলি যখন আপনার আয়ত্বে আসবে, আপনার যেকোন লেখাতেই আপনি প্রায় অটোমেটিক্যালি এই কন্টেন্ট অপ্টিমাইজেশন টেকনিকগুলো মনে রাখতে এবং ব্যবহার করতে পারবেন। আসুন তাহলে জেনে নেয়া যাক, এস.ই.ও অপ্টিমাইজ কনটেন্ট রাইটারের চাকরী বা কন্টেন্ট রাইটিং জব (SEO Optimized Writer Job) জব কেমন হয়?

কন্টেন্ট রাইটিং জব (Content Writing Job) 

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কন্টেন্ট রাইটিং জব দুই রকম। 

*বাংলা কন্টেন্ট রাইটিং জব (Bangla Content Writing Job)

এধরনের চাকরীতে সাধারণত বাংলাভাষার ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ, বাংলাদেশের বিভিন্ন ই-কমার্স ওয়েবসাইট, বাংলাদেশী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ করা হয়। বেতন সর্বনিম্ন ১৩০০০ থেকে সর্বোচ্চ দুই লক্ষ হতে পারে। অভিজ্ঞতা, দক্ষতা, পরিচিতি, শিক্ষাগত যোগ্যতা, কোন বিষয়ে বিশেষভাবে জ্ঞান এসব বিষয়ের উপর ভিত্তি করে বাংলা কন্টেন্ট রাইটিং জব এর বেতন নির্ধারন করা হয়।

*বিদেশী ভাষায় কন্টেন্ট রাইটিং জব (Foreign Language Content Writing Job)

 ভিন্ন ভাষায় অথবা  ইংরেজি কন্টেন্ট রাইটিং জব বেতন স্কেল প্রায় একই, উল্লেখযোগ্য পার্থক্য নেই। তবে ভাষাগত দক্ষতার সনদপত্র থাকার উপর অনেক সময় বেতন বেশি হয়। এধরণের চাকরীর মূল গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনি ধীরে ধীরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিষ্ঠানের জন্য কন্টেন্ট রাইটিং এবং বিভিন্ন মার্কেট প্লেস ফ্রিল্যান্সিং কন্টেন্ট রাইটিং অথবা ফ্রিল্যান্স কন্টেন্ট রাইটিং করে আয় করতে পারবেন।

কনটেন্ট রাইটিং করে আয়

একটি কথা বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি পেশাদার কন্টেন্ট রাইটার হলে অবশ্যই টাকার জন্যই লিখবেন। ঠিক তেমনই, ভালো লিখতে না পারলে আপনার চাকরী কন্ট্র্যাক্ট যোগাড় হলেও বেশিদিন থাকবেনা এবং আপনার আয়ের কোন নিশ্চয়তা থাকবেনা। তাহলে কিভাবে শুরু করা যায়? বা কিভাবে শুরু করা উচিৎ

কিভাবে কন্টেন্ট রাইটিং শুরু করবো?

প্রথমেই আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে যে আপনি সত্যিই কন্টেন্ট রাইটিং পেশায় আসতে চান। নিশ্চিত হবার জন্য প্রয়োজন ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করা এবং বিচার বিবেচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা। যে তথ্যগুলি আপনার সংগ্রহ এবং যাচাই বাছাই করা উচিৎ

১. কন্টেন্ট রাইটিং জব এ কি কি করতে হয়? অর্থাৎ কন্টেন্ট রাইটিং জব ডেসক্রিপশন। আমি চাইলে আপনাকে এখানে দিতে পারতাম। তবে সেটি হবে ভুল। কেননা, আমি একটি বা দুটি চাকরীতে আপনাকে কি কি কাজ করতে হবে সেটি সম্পর্কে বলে পারি। কিন্তু তাতে কিছু নিশ্চিত হওয়া যায়না। বরং আপনি নিজেই,  বিডি জবস, লিংকডিন, আপওয়ার্ক বিভিন্ন প্লাটফর্মে গিয়ে যাচাই করুন। এবং তালিকা তৈরী করুন একজন কন্টেন্ট রাইটার থেকে একটি প্রতিষ্ঠান কি কি দক্ষতা আশা করে।

২. তালিকা তৈরী শেষ হলে কিভাবে সেই কাজগুলি সম্পর্কিত স্কিলগুলি শিখুন। শেখার জন্য কন্টেন্ট রাইটিং শেখার উপায় অংশে বর্ণীত পদ্ধতি গুলি আপনার কাজে আসবে।

যখন দেখবেন স্কিলগুলির প্রায় ৮০% আপনার শেখা হয়েছে তখন সময় হবে পেশাদার কন্টেন্ট রাইটিং শুরু করার।

কন্টেন্ট রাইটিং চাকরী কিভাবে পাওয়া যায়?

কন্টেন্ট রাইটিং চাকরীর জন্য আপনার পাঁচটি প্রস্তুতি প্রয়োজন,

১. স্কিলসেট। যেগুলো আপনি তালিকা করে শিখেছেন অথবা শিখবেন।

২. একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন এবং কার্যকর  সিভি। সুন্দর মানে রংচটা কিংবা কার্যকর মানে টাকা দিয়ে বানানো সিভি নয়। সুন্দর সিভি মানে হলো যে সিভি একটি প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ কর্মকর্তার কাছে আপনাকে মূল্যবান প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরবে। যে সিভি দেখলে অনুভব আপনার দক্ষতা অনুমান করা যাবে।

৩. একটি লিংকডিন এ্যাকাউন্ট, সাম্প্রতিক সময়ে প্রায় ৪৫% চাকুরীর খবর লিংকডিনে প্রকাশ করা হয়। কন্টেন্ট রাইটিং এর মত সরাসরি ইন্টারনেট সম্পর্কিত চাকরী খবর বেশীরভাগ সময় লিংকডিনে পাওয়া যায়। লিংকডিন থেকে সরাসরি চাকরীতে এ্যাপ্লাই করা যায়।

৪. কিছু প্রকাশিত কন্টেন্ট। অর্থাৎ, আপনার যে লেখা গুলো প্রকাশিত হয়েছে।

৫. কম বেতনে একটি তিন-মাস অথবা ছয় মাসের ইন্টার্নশিপ করার মানসিকতা। যেহেতু আপনি কেবলই কাজ শুরু করবেন, আপনাকে যদি খুব প্রচলিত টপিকে কন্টেন্ট লিখতে বলা হয়, যে বিষয়ে অভিজ্ঞ লেখকরা লিখেছেন এবং লিখছেন, বিষয়টি আপনার জন্য ওভার চ্যালেন্জিং হয়ে যাবে। হতে পারে সামান্য ভুলে আপনার নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানকে চরম মূল্য দিতে হলো। তারচেয়ে ইন্টার্ণ দিয়ে শুরু করা ভালো, ইচ্ছা মতন ভুল করুন, সিনিয়রের দুটি কথা শুনুন, প্রতিদিন শিখুন, প্রচুর এক্সপেরিমেন্ট করুন, নিজেকে প্রস্তুত এবং আত্মবিশ্বাসী করতে Internship এর কোন বিকল্প নেই। শুধু মনে রাখুন, আমি শিখছি, এবং তিন মাস পর আমি যথেষ্ট দক্ষ এবং যোগ্য কন্টেনট রাইটার হয়ে উঠব।

এই ৫ টি বিষয় ঠিক থাকলে, এবং পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকলে আপনি অবশ্যই ৬ মাস থেকে ১ বছরের মধ্যে প্রফেশনাল কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে সফলভাবে কাজ করতে পারবেন।

মন্তব্যসমূহ